ঢামেকে ডাক্তারদের খাওয়া খরচ ২০ কোটি , পরিচালকের অস্বীকার

263

জুনেদ খানঁ: ঢাকা মেডিক্যালের ডাক্তারদের একমাসের থাকা-খাওয়ার বিল বিশ কোটি টাকা । সম্প্রতি সবখানেই ডিএমসি হাসপাতালের করোনা ইউনিটের ডাক্তারদের ২০ কোটি টাকা এক মাসের থাকা-খাওয়ার বিল নিয়ে তুমুল আলোচনা চলছে। চারিদিকে নিন্দার ঝড়। বিশ কোটি টাকায় কী খায় ডাক্তাররা ।

ঢাকা মেডিকেলে ১ মাসে কোভিড ইউনিটে দায়িত্ব পালনকারী ২০০ জন ডাক্তারের খাবারের বিল ঠিকাদার দেখিয়েছেন ২০ কোটি টাকা।

১ মাসে ২০ কোটি টাকা তে প্রতি ডাক্তারের ভাগে পরে ১০ লাখ টাকা।

সেই হিসেবে প্রতিদিন খাবার খরচ পরে ৩৩৩৩৩ টাকা।

সে হিসেবে প্রতিবেলায় ১১,১১১

২ পিস রুটির মূল্য ৭০০০ টাকা

১ টা কলার মূল্য ২০০০ টাকা

১ টি ডিমের মূল্য ১০০০ টাকা

১ টি ওয়ান টাইম প্লেটের মূল্য ১০০০ টাকা

১ টি টিস্যুর মূল্য ১১১ টাকা

বিশ কোটি টাকা আমাদের কাছে অনেক টাকা। এত টাকার বিল শুনলেই চোখ দুটো ছানাবড়া হয়ে ওঠে। একই কাহিনী ঘটেছিল ফেব্রুয়ারি আর মার্চ মাসে। যখন অনেকেই বলেছিলেন, বিদেশ থেকে আসা প্রবাসীদের হোটেলে বা উন্নতমানের জায়গায় কোয়ারেন্টাইনে রাখা হোক, তখন প্রভাবশালীদের অনেকেই কপাল কুচকে বলেছিলেন, ‘এত টাকা’! আমরা হিসেব করে দেখেছিলাম, সর্বোচ্চ বিলাসী আয়োজনে এক হাজার কোটি থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার কোটি পর্যন্ত খরচ করলেই আমরা গোড়াতেই করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ করা যেত । সেদিন হাজার কোটি টাকা খরচ করতে পারি নি, আর আজ লক্ষ কোটি টাকা খরচ করেও কূল পাচ্ছি না।

পৃথিবীর বুকে প্যানডেমিক কখনো একা আসে না, এর সাথে ইনফোডেমিকও আসে। বাংলাদেশও তার ব্যতিক্রম নয়। অনলাইনে চোখ পড়লেই দেখি স্বাস্থ্য খাতের তুগলকি কারবার। করোনা না এজন্য লুট এর উৎসব। কথায় আছে না কারও পৌষ মাস কারও সর্বনাশ। এরা কি এভাবেই প্রতিনিয়ত লুটপাট করে দেশটাকে শেষ করে দিবে।

এদিকে  ঢাকা মেডিকেলে ১ মাসে চিকিৎসকদের খাবারের বিল ২০ কোটি টাকা এই অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একে এম নাসির উদ্দিন। হাসপাতাল ও সংশ্লিষ্টদের হেয় প্রতিপন্ন করার জন্যই এই বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলে দাবি তার। তবে দাবির সত্যতা যাচাইয়ের জন্য বিলের ডকুমেন্ট চাইলে তিনি তা দিতে নারাজ হয়ে জানান, সব আয় ব্যায়ের হিসাব মন্ত্রণালয়কে দেয়া হয়েছে।

(Visited 56 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here