নিউইয়র্ক সিটিতে ১ দিনের ব্যবধানে বাংলাদেশী পিতা ও পুত্রের মৃত্যু

388

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে  বাংলাদেশী বাবা ও  ছেলের মৃত্যু হল একদিনের ব্যবধানে । ১ দিনের ব্যবধানে একই পরিবারের দুই জনের মৃত্যু সত্যিই হৃদয় বিদারক। ছেলের পর বাবা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ায় এই মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো বাংলাদেশী কম্যুনিটিতে শোকের ছায়া নেমে আসে। শোকে অনেকটা পাথর পুরো বাংলাদেশী কমিউনিটি ও মুহিবুর রহমানের পুরো পরিবার। একটি নয়, দুটো মৃত্যুর বোঝা বহন করতে হচ্ছে তাদের তাও এক দিনের ব্যবধানে। করোনায় ছেলে মারা গেলেন ১০ মে এবং বাবা মুহিবুর রহমানও মারা গেলেন ১১ মে করোনায় একই হাসপাতালে।

নিউইয়র্কের বাংলাদেশী অধ্যষিত এলাকা ব্রুকলীনের কনিআইল্যান্ডে পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাস করতেন মুহিবুর রহমান। প্রথমে মুহিবুর রহমানের ছেলে ফখরুজ্জামান অপু করোনায় আক্রান্ত হয়ে কনিআইল্যান্ড হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। যেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি গত ১০ মে সকাল ১০টায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি… রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৪৮ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে, ১ মেয়েসহ আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন। একই হাসপাতালে করোনায় আক্রন্ত হয়ে ভর্তি হয়েছিলেন অপুর বাবা মুহিবুর রহমান। তিনিও তার সন্তানের মৃত্যুর ঠিক এক দিন পর ১১ মে সকাল ৫টায় একই হাসপাতালে মৃত্যুবরন করেন (ইন্না লিল্লাহি… রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৭০ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে, ৩ মেয়েসহ আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন।

মুহিবুর রহমান  র্দীঘদিন যাবত পরিবার নিয়ে নিউইয়র্কে বসাস করতেন মরহুম মুহিবুর রহমানের দেশের বাড়ি সিলেটের বিয়ানীবাজারের মাটিজুরা গ্রামে।

এদিকে নিউইয়র্কের বসবাসকারী পারভেজ গত ১০ মে নিউইয়র্কের মাউন সিনাই হাসপাতালে বিকেলে ৫টা ইন্তেকাল করেছেন। তার দেশের বাড়ি নোয়াখালির লহ্মীপুরে।

উল্লেখ্য,  আমেরিকায় বসবাসরত বাংলাদেশীদের করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ২৫৩ জনে। নিউইয়র্ক সিটিতে  আজ ১২ মে র্পযন্ত ১৪ হাজর ৬ শত ৫৩জন, নিউইয়র্ক স্টেটে মোট ২৭ হাজার ৩ জন এবং সমগ্র আমেরিকায় ৮১ হাজার ৭ শত ৯৫ মৃত্যু হয়েছে ।

পিতা মরহুম মুহিবুর রহমান এবং পুত্র ফখরুজ্জামান অপু দুইজনকেই নিউজার্সির মুসলিম গোরস্তানে একই দিন দাফন করার কথা রয়েছে।

(Visited 90 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here