ভারতে দুইটি অনুষ্ঠানকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক

61

পশ্চিমবঙ্গের শান্তি নিকেতনে ‘বাংলাদেশ ভবন’ উদ্বোধন ও আসানসোলে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই দুইটি অনুষ্ঠানকে ঘিরে ভারতের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই বিতর্কের সঙ্গে সরাসরি হয়তো বাংলাদেশের কোনও সম্পর্ক নেই, কিন্তু ওই দুটি অনুষ্ঠানেই কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ও পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের সংঘাত প্রবলভাবে ছায়া ফেলছে। আর কেন্দ্রীয় সরকার চাইলেও পশ্চিমবঙ্গের বাধাতেই যে আজও বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যেকার তিস্তা চুক্তি আটকে আছে, সেটাও সবারই জানা।

প্রথম বিতর্কটা শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে, যে ক্যাম্পাসে আগামী ২৫ মে (শুক্রবার) শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন করবেন। ওই একই দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবর্তন অনুষ্ঠানও হবে, যেখানে বিশ্বভারতী সমাজের গুণীজনদের হাতে তাদের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ‘দেশিকোত্তম’ দিয়ে থাকে। সমাবর্তনে যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উপস্থিত থাকবেন, তাই তিনিই সেই সম্মান প্রাপকদের হাতে তুলে দেবেন বলেও স্থির ছিল। কিন্তু সমস্যা দেখা দিয়েছে সম্ভাব্য প্রাপক হিসেবে বিশ্বভারতী যাদের নাম সুপারিশ করেছে, তা নিয়েই। বিশ্বভারতী একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, এরকম সিদ্ধান্তে তাদের দিল্লির সম্মতি নিয়েই চলতে হয়।

কিন্তু দেশিকোত্তমের জন্য তারা দিল্লিতে যেসব নামগুলো পাঠায়, তার মধ্যে ছিল কট্টর বিজেপি-বিরোধী বলে পরিচিত লেখক অমিতাভ ঘোষ বা গীতিকার গুলজারের নাম। ছিল তৃণমূলের রাজ্যসভা এমপি, চিত্রশিল্পী যোগেন চৌধুরী এবং মমতা ব্যানার্জির অতি ঘনিষ্ঠ, প্রবীণ সঙ্গীতশিল্পী দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়ের নামও।

(Visited 2 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here