সত্যিই ক্ষমার অযোগ্য, বিক্ষোভকারীদের সামনে হাঁটু গেড়ে মাথা নত এন ওয়াই পি ডি র

87

জুনেদ খাঁন: একজন  পুলিশ অফিসারের অপরাধ আর অনুতাপ করলেন সকল পুলিশ।পুলিশ অফিসাররা হাঁটু গেড়ে ক্ষমা চাইছেন জনগণের কাছে। এটাই সভ্যতা, এটাই মানবতা। এই ধরনের  মানবিক ও সুশৃঙ্খল  পুলিশ বাহিনী খুবই প্রয়োজন।

এক কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তিকে খুন করেছে এক শ্বেতাঙ্গ পুলিশ। পুলিশের এমন বর্বর কাণ্ডে মাথা হেঁট হয়েছে মার্কিন পুলিশ  ডিপার্টমেন্টের। আইনের রক্ষকই যদি এমন নির্মমতা দেখায় তাহলে সাধারণ মানুষ কার ওপর ভরসা করবে ? বিপদে আপদে কার সাহায্য চাইবে ? মিনেসােটার পুলিশও অনুশােচনায় ভুগছে এখন। সত্যিই বড় ভুল হয়েছে, যা ক্ষমার অযােগ্য। তাই এবার তারা ক্ষমা চাইছে হাঁটু গেড়ে বসে ! সাধারণ মানুষের সামনে ভুল স্বীকার করে পুলিশের ক্ষমা চাওয়ার ঘটনা বিরল। গােটা দেশের বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন নিউইয়র্ক ও মিয়ামির পুলিশের সদস্যরা। বিক্ষোভকারীদের
সঙ্গে সংহতি জানিয়েছে অনন্য নজির গড়েছেন তাঁরা।

জর্জ ফ্লয়েড হত্যার প্রতিবাদে নিউইয়র্কে বিক্ষোভ চলছিল। বিক্ষোভকারীরা হাঁটু গেড়ে বসে নীরবতা পালন করছিলেন। সেসময় নিউইয়র্ক পুলিশও তাদের সঙ্গে যােগ দেন এবং তারাও সংহতি প্রকাশে হাঁটু গেড়ে বসে নীরবতা পালন করেন। সােশ্যাল সাইটের মাধ্যমে এই দশ্য ছড়িয়ে পড়েছে। নিউ ইয়র্কে পুলিশ কর্মকর্তাদের সংহতি জানানাের সেই ভিডিয়াে ধারণ করেছেন আলিয়া আব্রাহাম নামে এক বিক্ষোভকারী।

তিনি বলেন ,আমি এমনটি প্রত্যাশা করিনি। কখনও দেখিনি তবে এমন সংহতি জানানােই যথেষ্ট নয়। আলিয়া বলেন , “ এটি দারুণ ও ভালাে লক্ষণ। কিন্তু আমরা যা চাই তা নির্দিষ্ট পদক্ষেপ। আমেরিকায় এখন অর্ধশতাধিক শহরে হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ চলছে। বিক্ষোভ চলছে মিয়ামির শহরেও। অর্ধশতাধিক বিক্ষোভকারী সেখানে গ্রেফতার হয়েছেন পুলিশের হাতে। কিন্তু কয়েকজন পুলিশ সদস্য হাঁটু গেড়ে বসে সংহতি জানানাের ফলে অনেক প্রতিবাদকারীই বুকে বল ফিরে পেয়েছেন। তবে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের এই শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান আর কোনও শহরে দেখা যায়নি।

উল্লেখ্য, গত সোমবার মিনেসোটার মিনিয়াপোলিসে পুলিশের হেফাজতে জর্জ ফ্লয়েড নামে এক কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তি মারা গেলে দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। এরপর তা ব্যাপক দাঙ্গায় রূপ নেয় । জর্জ ফ্লয়েডের খুনি ডেরেক চাওনিকে খুনের দায়ে ইতিমধ্যে পুলিশ অফিসার কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়েপোলিস শহরে পুলিশের হাতে কৃষ্ণাঙ্গ যুবক জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে চলছে বিক্ষোভ। ঘেরাও করা হয়েছে দেশটির প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন হোয়াইট হাউসও।

(Visited 21 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here